আপনাদের এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত মুক্তিযোদ্ধাদের আদর্শ প্রচার করা এবং নিজেদের অধিকার আদায়ের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকা। অনৈক্য ভুলে দেশের স্বার্থে আপনাদের একতাবদ্ধ থাকতে হবে। ভবিষ্যৎ নির্দেশনা শিক্ষিত সমাজ গঠন: আধুনিক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে আপনাদের দক্ষ ও সুশিক্ষিত হতে হবে। প্রযুক্তির এই যুগে মেধা দিয়েই আপনাদের দেশ পরিচালনা ও অগ্রগতির হাল ধরতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, আপনাদের কোনো কাজের মাধ্যমে যেন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ না হয়। আপনার পাশের সুবিধাবঞ্চিত মুক্তিযোদ্ধা পরিবার বা অবহেলিত কোনো সদস্যের পাশে দাঁড়ানোই হোক এই সংগঠনের অন্যতম ব্রত। পরিশেষে তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ যেন কেবল একটি সংগঠন হিসেবে সীমাবদ্ধ না থাকে; এটি যেন হয়ে ওঠে দেশপ্রেমের একটি জীবন্ত পাঠশালা। আপনারা ভালো থাকলে, আপনাদের আদর্শ অটুট থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। আমি এই সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও আপনাদের সকলের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যের শুরুতে বীর শহীদদের,শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে বলেন, যাঁদের রক্তে কেনা আমাদের এই লাল-সবুজ পতাকা। শ্রদ্ধা জানাই সেই সব বীর মুক্তিযোদ্ধাদের, যাঁরা জীবনের মায়া ত্যাগ করে আমাদের একটি স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছেন। আজ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ-এর অষ্টম বার্ষিকী। এই সংগঠনের পথচলার আটটি বছর পূর্ণ হওয়া উপলক্ষে আমি সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। শেষে দোয়া ও কেক কাটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সকল অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি তুহিনুল ইসলাম রঞ্জু,সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রহমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলামসহ অন্যান্যরা অংশ নেন।#
- #

0 Comments